Archive

Archive for the ‘জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ’ Category

#translatewiki.net এ #Mifos লোকালাইজেশন র‌্যালি স্প্রিন্ট

নভেম্বর 5, 2010 মন্তব্য দিন

MifosMifos একটি ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার যা মাইক্রোফিন্যান্স প্রতিষ্ঠানকে তার কর্মকান্ড পরিচালনায় সহায়তা করে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বহু গরীবকে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে পুঁজি যোগান দিচ্ছে। Mifos সফটওয়্যারের পরবর্তী সংস্করণ “Leila E” আগামী ২৩শে নভেম্বর প্রকাশ হতে যাচ্ছে। Mifos এর লোকালাইজেশন পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলা ভাষায় এর লোকালাইজেশন হয়েছে মাত্র ৮.৫৩%। যে দেশ এ ধারনার জন্য একটি আদর্শ মডেল সে দেশের ভাষায় তা মাত্র সাড়ে ৮ শতাংশ লোকালাইজেশন হয়েছে। যে কাজটির বেশি প্রয়োজন আমরা অনেক সময়েই সে কাজটি উপেক্ষা করে যাই। এ প্রবণতা আমাদের অনেকের মধ্যেই রয়েছে।

mifos translation statতাই Mifos এর লোকালাইজেশনকে আরও বেগবান করতে র‌্যালি ঘোষণা করা হয়েছে। র‌্যালির পুরস্কার হল, ২৩ নভেম্বরের আগে translatewiki.net এ সর্বোচ্চ অনুবাদকদের দেওয়া হল অ্যালেক্স কাউন্ট (Alex Count) স্বাক্ষরিত তার রচিত “Small Loans, Big Dreams: How Nobel Prize Winner Muhammad Yunus and Microfinance are Changing the World” এর তিন কপি বই। বাংলা ভাষায় অনুবাদ শেষ হলে, অবশ্যই তা বাংলাদেশের মানুষ উপকৃত হবে, এবং অনুবাদক পাবেন এই পুরস্কার। আসুন Mifos অনুবাদ শুরু করি। কিভাবে এই অনুবাদে অংশ নিবেন তার ধারণা পাবেন, http://wp.me/pcRF1-4Z ব্লগে।

জিমি: উইকিপিডিয়া একটি দেশ হলে তা হত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পর্যটনকেন্দ্র

নভেম্বর 4, 2010 মন্তব্য দিন
Jimy in Mumbai 2010

মুম্বাইয়ে জিমি ওয়েল্‌স

সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে উইকিপিডিয়া মিটআপে উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েল্‌স উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তার বক্তব্যে তিনি উইকিমিডিয়া ফাউণ্ডেশনের ভারত ভিত্তিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ইংরেজি ভাষার উইকিমিডিয়া প্রকল্পের সাথে সাথে স্থানীয় ভাষায় উইকিমিডিয়া প্রকল্পের মান উন্নয়নের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। ঐ বক্তৃতাটির অডিও (.ogg) এখান থেকে শোনা যাবে।

ইভেন্টের আরও ছবি পাওয়া যাবে,

আসুন বাংলাদেশের জন্য ওপেন সোর্স সফটওয়্যার Mifos বাংলায় অনুবাদ করি

অক্টোবর 23, 2010 3 comments

বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানকে সবাই চিনি এবং তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরে তারা এখন সাড়া বিশ্বময় পরিচিত। সাড়া বিশ্বেই এখন ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে আর্থ সামাজিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এবং একাজে বাংলাদেশ একটি রোল মডেল। মুহাম্মদ ইউনূস পরবর্তীতে ক্ষুদ্রঋণ ধারণাকে ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন গ্রামীণ ফাউণ্ডেশন নামের একটি গ্লোবাল প্রতিষ্ঠান। যারা বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণাকে বাস্তবায়ন করেন। এর সাথে সাথে বিভিন্ন দেশে এই ক্ষুদ্রঋণ দানকারী বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। গ্রামীণ ফাউণ্ডেশন এই ক্ষুদ্রঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজেই এই ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে একটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার ফসল হল Mifos নামের একটি ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি প্রাথমিকভাবে ইংরেজিতে করা এবং এরই সাথে এটি একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। ফলে বিণামূল্যে যে কেউ এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।

Mifos ২০০৯-১০ এ Google Summer Of Code এ অংশগ্রহণ করে। এবং সাম্প্রতি এটি বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় লোকালাইজেশনের জন্য translatewiki.net প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে। বাংলাদেশে এই ক্ষুদ্রঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রচুর। Mifos ব্যবহারে বাংলাদেশেও ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও গতিশীল হবে এবং বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণদান ব্যবস্থা আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে।

আসুন বাংলাদেশের জন্য এই ওপেনসোর্স Mifos কে বাংলা ভাষায় রূপান্তর করি। সফটওয়্যারটিতে রয়েছে মাত্র ১৬৪৯টি ছোট এবং সহজ স্ট্রিং। যা ট্রান্সলেটউইকির সহজ ইন্টারফেস এবং ট্রান্সলেশন মেমোরি ব্যবহার করে সহজেই যে কেউ এর অনুবাদে অংশ নিতে পারেন। Mifos বাংলা লোকালাইজেশনে অংশ নিতে ভিজিট ও রেজিষ্ট্রেশন করুন, http://translatewiki.net

ট্রান্সলেট উইকিতে কিভাবে কাজ করবেন তার ধারণা পেতে দেখুন, http://wp.me/pcRF1-2s

জ্ঞান বিজ্ঞানে বাগেরহাট, উন্নয়নে ধরবে হাল, হবেই হবে ডিজিটাল

অক্টোবর 8, 2009 ১টি মন্তব্য
বাগেরহাট ডিজিটাল হবে

বাগেরহাট ডিজিটাল হবে

“জ্ঞান বিজ্ঞানে বাগেরহাট
উন্নয়নে ধরবে হাল
হবেই হবে ডিজিটাল”

এই স্লোগান নিয়ে গত ২ এবং ৩রা অক্টোবর ২০০৯ তারিখে খুলনার বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হল ২ দিন ব্যাপী “জ্ঞান উৎসব ২০০৯”। এই “জ্ঞান উৎসব” এর আয়োজক ছিল বাগেরহাটের সংগঠন আমাদের গ্রাম এবং সহ আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ টেলিসেন্টার নেটওয়ার্ক। একটি জ্ঞানভিত্তিক আধুনিক সমাজ তৈরির     জন্য এই দুই দিনে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে ছিল নানা আয়োজন যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাগেরহাটের প্রশাসন তথা বাগেরহাটবাসীদের  “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার যাত্রায়  সঙ্গী হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা, সাথে বিভিন্ন মহলে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধি এবং ব্যবহারে বাগেরহাটবাসীদের জীবন মানের উন্নয়নের সুযোগের কথা জানান দেওয়া। আর তা করতেই ২ দিনের এই আয়োজনে ছিল র‌্যালি, সেমিনার, কর্মশালাসহ আরও অনেক আয়োজন।
আরও পড়ুন…

%d bloggers like this: